certifired_img

Books and Documents

Bangla Section (20 Dec 2018 NewAgeIslam.Com)



Sultan Shahin tells UNHRC, Terrorists …সন্ত্রাসবাদীরা বিশ্বব্যাপী যৌথ সংস্কৃতির সভ্যতা এখনও পর্যন্ত প্রভাবিত করতে সফল হয়নি।: জেনেভায় ইউএনএইচআরসি সভায় সভাপতিত্ব করেন সুলতান শাহীন



Sultan Shahin, Founder-Editor, New Age Islam

সুলতান শাহীন, প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক, নিউ এজ ইসলাম

20 September 2012


মানবাধিকার কাউন্সিলের ২১তম সেশন

সন্ত্রাস পীড়িতদের স্মৃতিতে


বৃহস্পতিবার ২০ শে সেপ্টেম্বর ২০১২

১০:০০ - ১২:০০

রুম নম্বর ২৪

জাতি সংঘ

 বক্তাগণ :


বিশপ আমন  (হার্ড, ফেড অন টু অন  ফ্যামেলি এন.জি.ও. নাইজেরিয়া জনাব, সুলতান শাহীন, এডিটর নিউএজ ইসলাম

প্রফেসর কে. ওয়ারিকো, সেক্রেটারি জেনারেল, হিমালিয়ান রিসার্চ এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন।

মুহতারমা ডেডরে মিকোনিল, তামিল সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস।

জনাব মিকাইল ফিলিপস,প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এন্ড স্ট্যান্ট ওয়াঘুর কংগ্রেস চেয়ারম্যান ড. চার্লস গ্রস, সভাপতি FICIR.


 অংশ গ্রহণকারী :


ড. নজির গিলানি, সেক্রেটারি জেনারেল জম্মুকাশ্মীর হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল প্রফেসর রিয়াজ পাঞ্জাবি, হিমালিয়ান রিসার্চ এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন


অনুবাদ : ইংরাজি, ফ্রেন্স

বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস পীড়িতদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি


 সুলতান শাহীন, এডিটর নিউএজ ইসলাম

20 September 2012


জাতিসংঘের সাধারণ সভায় আমাদের অনুরোধ এই যে, তাঁরা যেন ১৯ শে আগস্ট দিনটিকে সন্ত্রাসবাদের শিকার মানুষগুলোর জন্য শ্রদ্ধাজ্ঞলি দিবস হিসাবে উদযাপিত করেন।আসলে সন্ত্রাসবাদের ভয়াবহতাকে আবার স্মরণ করাই আমাদের প্রচেষ্টার অঙ্গ। এখনও যেন আমরা সন্ত্রাসবাদের কবলে না আসি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন দিনে সন্ত্রাসের শিকার মানুষদের স্মরণ করেন যাতে তারা সেই চরম মুহূর্তটা সর্বদা স্মরণ রাখতে পারেন। কিন্তু এই ভারত বর্ষ এবং রাশিয়ার মত দেশের পক্ষে প্রায় অসম্ভব ব্যাপার, যারা এতবার সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছেন যে, এখন তাদের কাছে সেই দিন, তারিখ মনে রাখা কঠিন, যখন সন্ত্রাসী হামলা তাদের দেশের নাগরিকদের অক্টপাসের ন্যায় ঘিরে ধরেছিল। এখন  ১৯ শে আগস্ট দিনটি আমাদের সম্মিলিত ভাবে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে।

সন্ত্রাসবাদ এক নিকৃষ্ট হিংস্রতার পাগলামি যা নিষ্পাপ জনতার বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হয় যাদের সাথে সন্ত্রাসবাদী রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই। সুতরাং এখন আমাদের সন্ত্রাসবাদী দানবের সব মুখোশের বিরুদ্ধে সতর্ক হওয়া বিশেষ প্রয়োজন এবং তাকে কোথাও শিকড়গাড়ার সুযোগ দেওয়া উচিৎ নয়। আর বিশ্বের কোথাও বৈষম্য এবং অরাজকতা সৃষ্টি করার বিকৃত মানসিকতাকে কখনই সফল হতে দেওয়া যায় না।

এই কিছুদিন পূর্বে আমরা ১১ই সেপ্টেম্বর নিহতদের স্মরণে নিউ ইউর্কে  জ্ঞাপন করেছি। গোটা পৃথিবীতে এই ধরনের যত দিন উদযাপিত হয় তারমধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক ও লোমহর্ষক দিন হলো ২২ শে  জুলাই ২০১২ যখন নরওয়েতে বোমা আর বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা হওয়া ৭৭ জন নিষ্পাপ মানুষকে স্মরণ করা হল। এই সাঙ্ঘাতিক ঘটনা এক বৎসর পূর্বে শান্তি ও নিরাপত্তার এই দেশটিকে হতবাক করে দিয়েছিল। এন্ড্রেস ভরঙ্গ ব্রিউক নামে ৩৩ বৎসরের এই ব্যাক্তি একজন দক্ষিণপন্থী চরমপন্থী ছিল, যাকে এখন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে, কেননা সে ওসোলোতে সরকারি কোয়ার্টারে  বোমাবাজি করেছিল, যার ফলে ৮ ব্যাক্তি মারা গিয়েছিল  এবং ওটোয়া দ্বীপে অবস্থিত লেফট উইং লেবার পার্টি ইয়ুথ ক্যাম্পে গুলিবর্ষণ করেছিল।যারফলে ৬৯ জন মানুষ নিহত হয়েছিল।

মস্কোতেও নভেম্বর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের প্রদর্শণীর  দিনে সন্ত্রাসবাদের শিকার মানুষগুলোকে স্মরণ করা হয়। এধরণের এগারোটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মস্কোর আঞ্চলিক অধিবাসীবৃন্দ ঘটনাস্থলে জমায়েত হয়ে সন্ত্রাসের শিকার মানুষগুলোকে শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপন করেন। বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসবাদী হামলায় নিহত মানুষদের শ্রদ্ধা গোপনের জন্য শোকমিছিল বের করা হয়, এর মধ্যে দোব্রুকা থিয়েটার সেন্টারের নিকটে অবস্থিত কাল্ট্রি পার্ক, লিবিয়াংকা এবং অটোয়াওস্কা মেট্রো স্টেশন,  তোশিন বিমানবন্দর, নজদ হোটেল, অন্তোর্জতিক  নজদ রোজাসকায়া মেট্রো স্টেশন, কাশের স্কুয়ে সাহেরা এবং গিরিয়ানু স্ট্রিটে অবস্থিত সেই পুরানো গ্রাউন্ড যার উপরে বোমাবাজি করা হয়েছিল। পোষ্কানস্কায়া স্কোয়ার এবং ডুমোডু বিমানবন্দরের আন্ডার গ্রাউন্ড ক্রসিং আলোচনার যোগ্য। ঠিক এই ভাবে একটি শোক মিছিল পোডকোলো কলোনি সাইড স্ট্রিট এবং সলিয়াংকা জংশনে অবস্থিত ডরজন অফ কোলস্কি চার্চ অফ নিউটিয়িটির সামনে অবস্থিত মনুমেন্ট টুবিশলন টেররিস্টের কাছেও শোক মিছিল বের করা হয়েছিল। এখন থেকে দুমাস পরে ২৬ শে নভেম্বর আমার নিজের দেশ ভারতবর্ষের যৌথ সভ্যতার উপর পাকিস্তানী হামলার কথাও উল্লেখযোগ্য, ২০০৮ এর হামলার ঠিক চার বৎসর পরে যখন গোটা দেশে হাজার হাজার শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান চলছে।

আমি এখনই ভারতীয় যৌথ সভ্যতার উপর আক্রমণের কথা উল্লেখ করেছি, যার ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। নিঃসন্দেহে এই আক্রমণ ভারতের উপর, ভারতের জনগণের উপর, আমাদের বহিরাগত টুরিস্টদের উপর, এক কোথায় ভারতের বিভিন্ন অংশের উপরে করা হয়েছিল। যেহেতু মুম্বাই শহর ভারতের অর্থনৈতিক রাজধানী, সুতরাং এই হামলা ভারতের অর্থনীতির উপরেও ছিল। এমনিতেই এই হামলা আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের যে শান্তির প্রতিচ্ছবি তৈরি হয়েছে তার উপরেও। কেননা এই হামলায় অনেক ইহুদী এবং বৈদেশিক টুরিস্ট নিহত হয়েছিলেন। এভাবেই এই হামলা ভারতের বিভিন্ন দিকের প্রতি করা হয়েছে। কিন্তু আমি বিশেষ ভাবে ভারতের যৌথ সভ্যতা এবং ঐক্যবদ্ধ সমাজ ও ঐক্যবদ্ধ সাংস্কৃতির উপরে হামলা বলে উল্লেখ করছি।সেই ভারতীয় সমাজ যেখানে পার্থক্য ছাড়াই হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃস্টান, ইহুদি, শিখ সবাই এক সাথে মিলেমিশে বাস করে, এ ছাড়াও না জানি কত ভাষা, কত বংশ, কত বর্ণের মানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে পাশাপাশি বসবাস করে যার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু তবুও আপনাদের অনেকেরই জানা আছে যে, আবু জিন্দাল সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সে কো-অর্ডিনেটর যে করাচিতে অবস্থিত তার কন্ট্রোল রুম থেকে ভারতের সন্ত্রাসীদের নির্দেশ দিচ্ছিলো, যার আওয়াজ ও ভারত সরকার রেকর্ড করে নিয়েছিলেন, তাকে, এখন সৌদিআরব থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে স্বীকার করেছে যে, তার হামলার উদ্দেশ্যেই ছিল ভারতের হিন্দু ও মুসলিমদের বিচ্ছিন্ন করা। এই কারণেই ওই পাকিস্তানী সন্ত্রাসবাদিকে মুম্বাই এর সাধারণের মধ্যে প্রচলিত কিছু ভাষা শেখানো হয়েছিল যাতে ভারতীও নিরাপত্তা বাহিনী তাকে ভারতীয় নাগরিক হিসাবে সনাক্ত করতে পারে। তাকে বলা হয়েছিল সে যেন আমাদের হায়দ্রাবাদ শহরের বাসিন্দা হিসাবে   নিজের কোনো নকল মুসলিম সংগঠনের সদস্যের পরিচয় দেয় , যাতে তার সম্পর্কে এই ধারণা জন্মে যে, সে কোনো ভারতীয় শহরের বাসিন্দা। দশজন সন্ত্রাসীই হায়দ্রাবাদের অরুনোদিয়া কলেজের নকল পরিচয় পত্র বানিয়ে নিয়েছিল।এমনকি তারা নিজেদের হিন্দু নাম ও ঠিক করে নিয়েছিল যেমন আজমল কাসভের নাম সমীর চৌধুরী, ইসমাইল খানের নাম নরেশ বর্মা হয়েগিয়েছিল। লস্করে তৈয়েবার একজন অপারেটরের নাম খড়ক সিং বলে প্রকাশ করে এবং সে এক আমেরিকান ফার্ম থেকে ২৫০ ডলারে (অর্থাৎ দশহাজার ভারতীয় টাকায়) ইন্টারনেট  লিংক সার্ভিস ক্রয় করেছিল।এই সন্ত্রাসীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, তারা যেন তাদের করাচির অপারেটরের সাথে ভারতীয় সিমকার্ডের ফোনে কথা বার্তা বলে।

এটাকে পাকিস্তানের দুর্ভাগ্যই বলুন আর ভারতের সৌভাগ্য বলুন যে, তাদের মধ্যে একজন পাকিস্তানী সন্ত্রাসবাদী আজমল আমের কসাভকে একজন ভারতীয় পুলিশ জীবিত গ্রেফতার করে নেন। এমনকি গ্রেফতারের সময় তাঁকে জীবন ও হারাতে হয়। এই ঘটনাই পাকিন্তানি চক্রান্ত ফাঁস করে দেয় এবং আমাদেরকে খোদ ভারতের মধ্যে সন্ত্রাসী গ্রুপের তল্লাশি চালানোর পরিবর্তে আসল অপরাধী পর্যন্ত যাওয়ার সূত্র মেলে।

এথেকে পরিষ্কার যে, মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার আসল উদ্দেশ্য একসাথে বসবাসকারী ভারতের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়কে পরস্পরের সাথে লড়িয়ে দেওয়া। আমি দৃঢ় বিশ্বাস নিয়েই বলতে পারি যে, কাসাভকে যদি ধরা নাও যেত তথাপিও আমাদের যৌথ সভ্যতা এধরণের হামলার দৃঢ়তার সাথে মোকাবিলা করতে পারতো। পূর্বেও আমরা বারবার এধরণের হামলার মোকাবিলা করেছি, তা সত্ত্বেও আজ আমরা এক সাথে আছি। এই জঘন্যতম সন্ত্রাসবাদী হামলা সম্পর্কে একটা প্রশ্ন আমার মনে ভেসে উঠছে যে, আমাদের এই যৌথ সংস্কৃতি এবং আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কে এমন কি জাদু আছে যা পাকিস্তানকে তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড়ো বিপদ মনে হয়েছে। শেষ অবধি কেন পাকিস্তান আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের দেশেই অপরাধের আখড়া তৈরি করতে চাইছে আর আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দুর্গে আঘাত হানতে চাইছে ?

পাকিস্তানের জেহাদি লস্কর এবং ২৬/১১ এর উপরে আলোচনার সময় ইতি পূর্বে আমি যে কথা বলেছিলাম তা আমি এখানে আবার বলতে চাইবো "ভারতীয় মুসলিমদের কাছে এই দাবি তোলার পিছনে যথেষ্ট কারণ আছে যে সর্বনাশা এই আখড়া বন্ধ করা হোক, কেননা এখন এই সর্বজন বিদিত সত্যে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই যে, ওই সব পাকিস্তানী সন্ত্রাসবাদী সংগঠন গুলির বিশেষ নিশানা ভারতের মুসলমানদের সর্বনাশ করা, আর এটা তাদের মুম্বাই হামলার ধরণ থেকে স্পষ্ট হয়েগেছে।

ভারতে হিন্দু মুসলিমদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান উন্নয়ন ও সচ্ছলতার দ্রুত উত্থান পাকিস্তানের অস্তিত্ত্বের পক্ষে মৌলিক বিপদ সংকেত। কেননা ভারতের সচ্ছল মুসলিম সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব পাকিস্তানের দ্বিজাতিতত্ত্বের সমাপ্তি করবে পাকিস্তান রাষ্ট্রের পুরো ভিত্তিই এর উপরেই নির্ভর। একদিকে ভারতের মুসলমানরা কেবল নিজেদের মধ্যেই শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছে তাই নয় বরং তারা অন্য ধর্মাবলম্বী, অন্য ভাষাভাষী এবং বর্ণের মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বসবাস করছে। অপরদিকে পাকিস্তানী মুসলিমদের অবস্থা এই যে, তারা নিজেরাই শতধা বিভক্ত হয়ে রক্তক্ষয়ী ঝগড়ায় মগ্ন, এটাই সেই হৃদয় বিদারক ঘটনা যা পাকিস্তানের আস্তিতের ভীত নড়িয়ে দিয়েছে।

পাকিস্তানের মুসলিম সিন্ধ্রি, বেলুচি, পাঠান, মুহাজিরদের সামান্যতম সুযোগ মিললেই তারা হিন্দুস্তানী মূলস্রোতের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলা পছন্দ করবে। এজন্য তাদেরকে পাকিস্তানের মুজবুত প্রশাসনের হাতে ছেড়ে দেওয়া যায় না যারা তাদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে ফুলে ফেঁপে তোলার এবং তাদের মাধ্যমে ঘৃণ্য চক্রান্ত সফল করার প্রচেষ্টা করছে। আমরা ভারতীয় মুসলিমরা কেবল ভারতবর্ষে নিজেদের অস্তিত্বে নির্ভর করে তার চেয়েও অনেক বেশি এই দেশে শান্তি ও সচ্ছলতার উপরে ভিত্তি করে, পাকিস্তানের অস্তিত্বের জন্য এক মহাবিপদে পরিণত হয়েছি।কেবল পাকিস্তানী সন্ত্রাসীদের জন্য নয় যারা পাকিস্তানী প্রশাসনের অঙ্গ। তবুও আমরা এ সম্পর্কে কিছু করতে অসহায়। সুতরাং বিশেষ করে আমাদের লাভের জন্য এবং সমগ্র ভারতীয় মুসলমানদের লাভের জন্য সন্ত্রাসবাদীর এই আতুর ঘরটা ভেঙে দেওয়া উচিৎ এবং এই অপরাধীদের কৃতকর্মের সাজা দেওয়া উচিৎ যারা আমাদের মাতৃভূমিতে শান্তি শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে চায়।

২২ শে জুলাই ২০১২ অসলোতে মুকুট পরিধান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জেন্স ক্যাসটোল্টন বার্গ বলেছেন ব্রেভিক তার লক্ষে সফল হতে পারেনি যা নরওয়ের বহুজাতিক সংস্কৃতি ও সভ্যতা ধংস করতে চেয়েছিলো। জেন্স এ্যাসটোল্টেন বার্গ আরও বলেছিলেন নরওয়ের  উপরগুলি চালানো এবং বোমাবাজি করার উদ্দেশ্য ছিল নরওয়ের  সম্মানকে পদদলিত করা কিন্তু আমরা দেশবাসী আমাদের সন্মান বুকে আঁকড়ে ধরে তার জবাব দিয়েছেন, সুতরাং চক্রান্তকারীরা পরাজিত হয়েছে আর আমার লোকেরা বিজয়ী হয়েছে।

২৬/১১ এর এই অনুষ্ঠানে আমরা ভারতীয়রাও গর্বের সাথে বলতে পারি পাকিস্থানী সন্ত্রাসীরা এবং পাকিস্তানে অবস্থিত তাদের পরিচালকেরা ভারতীয় সমাজের যৌথ সংস্কৃতির উপর একটা দাগ ও কাটতে পারেনি। যদি আমরা বলি আজ গোটা দুনিয়ায় কোথাও যদি শান্তি ও নিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি হয় সেখানে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের কোনই নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। হয়ত আমাদের এই কথা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের আত্মার প্রতি সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধাঞ্জলি হবে। দূর্গতেরা ঠান্ডা মাথায় এই বর্বর আইডোলজির চরম বর্বরতা শিকার, যা আমাদেরকে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীতে বিভক্ত করতে চায়। কিন্তু আমরা কখনই এই সন্ত্রাসীদের নাপাক ইচ্ছা সফল হতে দিইনি। আসুন ! এখন আমরা সবাই মিলে অঙ্গীকারাবদ্ধ  হই যে, আমরা তাদের দুনিয়ার কোথাও সফল হতে দেবোনা।

-------

উর্দু  থেকে বাংলা অনুবাদ

ওয়ালিউর রহমান চাঁদপুরী

URL:   http://newageislam.com/d/117214




TOTAL COMMENTS:-    


Compose Your Comments here:
Name
Email (Not to be published)
Comments
Fill the text
 
Disclaimer: The opinions expressed in the articles and comments are the opinions of the authors and do not necessarily reflect that of NewAgeIslam.com.

Content